মুখবন্ধ (কেন যে এটা বলে, জানি না। মুখ তো খোলা শুরু করব এর পর থেকেই)
মোটামুটিভাবে প্রায় প্রতিটা বাঙালি, জীবনের একটা পর্বে এসে কবিতা লিখতে শুরু করে।
আসলে আমরা রবি ঠাকুর-নজরুলের জাত, আমাদের রক্তে সাহিত্য।
কিশোর বয়সে, ব্রণ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কবিতাও ফুটে বেরোয়।
সদ্য প্রেমে পড়লে, বা প্রেমে দাগা খেলে, বৃষ্টি এলে কবিতা আসে না বা কবিতা না আসুক নিদেনপক্ষে কবি কবি ভাব- ছন্দের অভাব এই মনোভাব ফুটে ওঠে না, এরকম বাঙালি নেই।
আমারও সেই দশা হয়েছিল।
সদ্য কৈশোর, সেই যে হিসু পাওয়ার মত কবিতায় পেল, এখনও ছাড়েনি। এখন কৈশোরাবস্থা গতপ্রায়। কিন্তু লেখার নেশা টা রয়েই গেছে। তবে লেখার থেকে পড়ার নেশাটা বেশি। এখন এটা মনে হয়, যে উৎসাহ ও নেশা নিয়ে সাহিত্য পড়ি, বা নিজের বিষয়ের বাইরের বই পড়ি, সেই উৎসাহ ও নেশা নিয়ে নিজের বই পড়লে কি করে ফেলতাম নিজেরই কল্পনার বাইরে।
আগে লিখতাম খাতায় কলমে, এখন সময় বদলেছে, কবি ডিজিটাল হয়েছেন, কীবোর্ড ছাড়া তাঁর নাকি সাহিত্য আসে না।কবি কি ছিলেন কি হয়েছেন তা যারা যারা আমায় দেখেছে বা চেনে তারা প্রত্যেকেই জানে যদিও। বয়সের তুলনায় পক্ক, দেড়েল স্ফিতকায় এক কিশোর আমি, খুব একটা পাল্টাইনি, খালি শিক্ষাগত যোগ্যতা (সুশিক্ষা/ কুশিক্ষা দুদিকেই) আর সম্পর্কে বেজায় সিরিয়াস হয়েছি বলা চলে।
এই ব্লগে মোটামুটি আজ থেকেই পোস্ট করব লেখা। ব্লগটা শুরুর মুল কারন হিসেবে বলা যায়, লেখাগুলো সব এদিক ওদিক হয়ে যাচ্ছিল, হারিয়েও যাচ্ছিল, তাই এবার থেকে কবিতা বা ছোটোগল্প (কবিতাই মুলতঃ লিখবার চেষ্টা করি) যাই লিখি, সবই এখানে পাব্লিশ করব। আর লোকজনকে নিজের লেখা ঘাড় ধরে পড়াতে দারুন লাগে। কবিগুরুও তাঁর বাচ্ছাবেলায় এমন করেছেন, তো আমি যদি করি তা আশা করি কেউ ধৃষ্টতা হিসেবে না নিয়ে স্নেহবশতঃ পড়ে ফেলবেন, সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য বটেই।
লেখাগুলো পড়ে রিভিউ দিলে খুবই খুশি হব, তা ইনবক্সেই হোক বা এখানে কিংবা ফেসবুকে।
আসলে আমরা রবি ঠাকুর-নজরুলের জাত, আমাদের রক্তে সাহিত্য।
কিশোর বয়সে, ব্রণ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কবিতাও ফুটে বেরোয়।
সদ্য প্রেমে পড়লে, বা প্রেমে দাগা খেলে, বৃষ্টি এলে কবিতা আসে না বা কবিতা না আসুক নিদেনপক্ষে কবি কবি ভাব- ছন্দের অভাব এই মনোভাব ফুটে ওঠে না, এরকম বাঙালি নেই।
আমারও সেই দশা হয়েছিল।
সদ্য কৈশোর, সেই যে হিসু পাওয়ার মত কবিতায় পেল, এখনও ছাড়েনি। এখন কৈশোরাবস্থা গতপ্রায়। কিন্তু লেখার নেশা টা রয়েই গেছে। তবে লেখার থেকে পড়ার নেশাটা বেশি। এখন এটা মনে হয়, যে উৎসাহ ও নেশা নিয়ে সাহিত্য পড়ি, বা নিজের বিষয়ের বাইরের বই পড়ি, সেই উৎসাহ ও নেশা নিয়ে নিজের বই পড়লে কি করে ফেলতাম নিজেরই কল্পনার বাইরে।
আগে লিখতাম খাতায় কলমে, এখন সময় বদলেছে, কবি ডিজিটাল হয়েছেন, কীবোর্ড ছাড়া তাঁর নাকি সাহিত্য আসে না।কবি কি ছিলেন কি হয়েছেন তা যারা যারা আমায় দেখেছে বা চেনে তারা প্রত্যেকেই জানে যদিও। বয়সের তুলনায় পক্ক, দেড়েল স্ফিতকায় এক কিশোর আমি, খুব একটা পাল্টাইনি, খালি শিক্ষাগত যোগ্যতা (সুশিক্ষা/ কুশিক্ষা দুদিকেই) আর সম্পর্কে বেজায় সিরিয়াস হয়েছি বলা চলে।
এই ব্লগে মোটামুটি আজ থেকেই পোস্ট করব লেখা। ব্লগটা শুরুর মুল কারন হিসেবে বলা যায়, লেখাগুলো সব এদিক ওদিক হয়ে যাচ্ছিল, হারিয়েও যাচ্ছিল, তাই এবার থেকে কবিতা বা ছোটোগল্প (কবিতাই মুলতঃ লিখবার চেষ্টা করি) যাই লিখি, সবই এখানে পাব্লিশ করব। আর লোকজনকে নিজের লেখা ঘাড় ধরে পড়াতে দারুন লাগে। কবিগুরুও তাঁর বাচ্ছাবেলায় এমন করেছেন, তো আমি যদি করি তা আশা করি কেউ ধৃষ্টতা হিসেবে না নিয়ে স্নেহবশতঃ পড়ে ফেলবেন, সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য বটেই।
লেখাগুলো পড়ে রিভিউ দিলে খুবই খুশি হব, তা ইনবক্সেই হোক বা এখানে কিংবা ফেসবুকে।

চালিয়ে যা 🖒🖒
ReplyDeleteথ্যাংকস ভাই,বন্য ধন্যবাদ।
Delete